Bangladesh wants to buy Anka UAV from Turkey
বাংলাদেশ পাইলট বিহীন
ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ড্রোন আনকা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাইলটবিহীন বিমান (UAV) বা
ড্রোন বিমান আধুনিক সমর প্রযুক্তির এক অনন্য সংযোজন। দিবা-রাত্রি শত্রুর আকাশ সীমায়
গুপ্তচরবৃত্তি চালানো, নিজ দেশের আকাশসীমা পাহারা দেয়া, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ,
শত্রুদের
বেতার ও রাডার সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটানো, আড়ি পেতে তথ্য সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে
প্রয়োজনে ছোটখাটো একটি যুদ্ধবিমানের ভুমিকাও পালন করতে পারে এই বিমান।
এসব বিমান পাইলট বিহীন
হওয়ায় যুদ্ধে পাইলটের মৃত্যু ঝুকি থাকে না তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে এই ধরনের বিমান
ব্যবহার করা যায়।
বর্তমান সময়ে অনেক ড্রোন
বিমান স্টিলথ প্রযুক্তির হওয়ায় খুব সহজেই এটি শত্রুর রাডার সিস্টেম ফাঁকি দিয়ে
তৎপরতা চালাতে পারে। তাই বর্তমানে কার্যকর ও শক্তিশালী বিমান বাহিনী এবং আকাশ
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ড্রোন বিমানের কোনও বিকল্প নেই।
এবার একনজরে আনকা ড্রোন
সম্পর্কে জেনে নেয়া যাকঃ
আনকা তুরস্কের এরোস্পেস
ইন্ডাস্ট্রি নির্মিত একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন বিমান। মূলত একটি পৌরাণিক
জীবের নামে এই ড্রোনটি নামকরণ করা হয়েছে। এটি মধ্যম উচ্চতায় দীর্ঘক্ষণ আকাশে টহল
দিতে সক্ষম। আনকা ড্রোনের নির্মাণের মাধ্যমে তুরস্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও
ইসরায়েলের পরে তৃতীয় দেশের মর্যাদা পেল যারা MALE UAV নির্মাণ করতে পারে। এই
ধরনের ড্রোনের বৈশিষ্ট্য হল এরা দীর্ঘক্ষণ আকাশে ভেসে থাকতে সক্ষম।
অত্যাধুনিক
ইনফ্রারেড ইলেকট্রো অপটিক ক্যামেরা, সেন্সর, সিনথেটিক এপারেচার রাডার ও অন্যান্য
বহুবিধ প্রযুক্তি সংবলিত এই ড্রোনটি তুরস্কের সামরিক সক্ষমতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে
গেছে। একটি Thielert Centurion ইঞ্জিনে চালিত এই ড্রোন ৩০,০০০ ফুট পর্যন্ত
উচ্চতায় উঠতে পারে এবং এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১৭ কিঃমিঃ।
সম্প্রতি
মিশর এরূপ কয়েকটি ড্রোন কেনার জন্য তুরস্কের সাথে চুক্তি করেছে। এছাড়াও সৌদি আরব
এবং বাংলাদেশ এই ড্রোন কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।



Comments
Post a Comment